News

Category Archives

জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের চেক ও সার্টিফিকেট হস্তান্তর

IMG_20150713_124004
গতকাল সোমবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ভবনের ৫ম তলায় সম্মেলন কক্ষে “জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি” এর আওতায় যে সকল সরকারী কর্মকর্তা এবং মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন নির্মাতারা বিজয়ী হয়েছিলেন তাদের চেক ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে “জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি” এর আওতায় সরকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে ১৩টি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই কর্মশালাগুলো থেকে ১৩ টি শ্রেষ্ঠ আইডিয়া প্রদানকারীদের নির্বাচিত করা হয়েছিল। এবং একই প্রকল্পের অধীনে জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন প্রতিযোগীতায় ৭ ক্যাটাগরিতে দেশের প্রায় ২০০ এ্যাপ্লিকেশন নির্মাতা এবং কোম্পানী অংশগ্রহন করেছিল। এদের মধ্যে থেকে জুড়ি বোর্ড ১৫ জন এ্যাপ্লিকেশন নির্মাতাদের বিজয়ী ঘোষনা করেছিলেন।

বিজয়ীদের হাতে চেক ও সার্টিফিকেট হস্তান্তর করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. হারুনুর রশিদ(আইসিটি অনুবিভাগ) এবং একই বিভাগের উপ-সচিব ও এই প্রকল্পের পরিচালক জনাব মিনা মাসুদ উজ্জামান।

উক্ত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী সচিব ও এই প্রকল্পের উপ-পরিচালক জনাব আর.এইচ.এম আলাওল কবির।

Share Button

রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হল অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন বুটক্যাম্প

_MG_6717
অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন নির্মাতাদের নিয়ে সরকারের আইসিটি ডিভিশনের উদ্যোগে এবং “জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি” এর আওতায় গত ১৬ জুন রাজাশাহীর রুয়েটে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রাজশাহী বিভাগীয় বুট ক্যাম্প। এতে প্রায় ৭৭০ জন এ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন নির্মাতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী এ আয়োজনে এ্যান্ড্রয়েড নির্ভর গেম ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কারিগরি দিক, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি ।তিনি তার বক্তব্যে আগত ডেভেলপারদের উৎসাহ প্রদানের পাশাপাশি দেশকে তথ্য প্রযুক্তি খাতে একধাপ এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কার্যক্রম তুলে ধরেন। রুয়েটের উপাচার্য মহোদয় ড. মো. রফিকুল আলম বেগ এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত), রাজশাহী ও জনাব মোঃ আবুল কালাম আযাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, রাজশাহী এবং এ কর্মসূচির উপ-পরিচালক জনাব আলাওল কবির।

দিনব্যাপী এই বুট ক্যাম্পে রাজাশাহী ও তার আশেপাশে জেলা থেকে ৭৭০ জন অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপাররা একত্রিত হন। অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপমেন্টের বিভিন্ন উচ্চতর কারিগরী বিষয় যেমন অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন, গেম ডেভলপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবসার উপায় ও পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয় ছাড়াও একটি অ্যাপ্লিকেশনের ডেভলপমেন্ট পর্যায়ে সাধারণত যেসকল অসুবিধা হয়, সেসব নিয়ে বিভিন্ন সেশন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে দেশ সেরা অ্যাপ্লিকেশন নির্মাতারা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা তাদের সাথে পেশাগত বিষয় নিয়ে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান।

একই প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ে ৬২টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২৩৪৭ জন শিক্ষার্থীকে অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে । পুরো প্রকল্পে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমসিসি লিমিটেড ও ইএটিএলের সাথে কাজ করছে বেসিস, মাইক্রোসফট, গ্রামীণফোন, প্রেনারল্যাব, রবি, নোকিয়া, সিম্ফনি, এসওএল কোয়েস্ট, গুগল ডেভলাপার গ্রুপ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট, কিউবি এবং টেলিটক।

Share Button

৭টি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন পেলেন জাতীয় মোবাইল অ্যাপ অ্যাওয়ার্ড

unnamed
দেশের সেরা মোবাইল কন্টেন্ট ও উদ্ভাবনী অ্যাপ্লিকেশন নির্মাতাদের পুরস্কৃত করলো সরকার। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আায়োজিত ‘জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ও ডেভেলপার সম্মেলন-২০১৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ৭টি ক্যাটাগরিতে ১৪টি সেরা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের নির্মাতা ডেভেলপারের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। জমকালো এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সহস্রাধিক ডেভেলপারের মহাসম্মেলনে দেশ সেরা এসব ডেভেলপারকে সর্বমোট ১০,৫০,০০০ টাকার পুরস্কার ও বিশেষ সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।

জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কারের গালা ইভেন্ট এবং ডেভেলপার কনফারেন্সে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

দেশের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন শিল্প বিস্তারের লক্ষ্যে নির্মাতাদের কাছ থেকে গত বছরের অক্টোবরে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, আইপ্যাড, অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, উইন্ডোজ, ব্ল্যাকবেরি, জেটুমি প্ল্যাটফর্মে কার্যকর উদ্ভাবনী সেরা অ্যাপ্লিকেশনের মনোনায়ন আহবান করে তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই এবং জুরি বোর্ডের মূল্যায়ন শেষে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘প্রথম বারের মতো সেরা উদ্ভাবনী কাজের জন্য দেশের সেরা ডেভেলপারদের পুরস্কার দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। এখন থেকে প্রতি বছর সেরা উদ্ভাবনের জন্য এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশের আধুনিক রুপায়ন ডিজিটাল বাংলাদেশের কারিগর দেশের তরুণ প্রজন্ম। তাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং তাঁর সুযোগ্য পুত্র ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনায় ২০২১ সালের আগেই আমরা বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করবো ইনশাহ্আল্লাহ্।’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘স্মার্টফোন অ্যাপসের ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিন কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাজ্য শীর্ষে থাকলেও বাংলাদেশের তরুণরাও এই বাজারের বড় অংশিদার। এদেশের ডেভেলপাররা আইফোন, গুগল, মাইক্রোসফটের মতো বিশ্বের নামি দামি প্রতিষ্ঠানের অ্যাপস বানাচ্ছে। সরকারীভাবে তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে মোবাইল অ্যাপসের বাজারে আগামীতে বাংলাদেশই নেতৃত্ব দেবে।’

অনুষ্ঠানে মোট সাতটি বিষয়ে চ্যাম্পিয়ন এবং রানারআপকে পুরস্কার দেওয়া হয়। ব্যবসা-বাণিজ্যে ‘সেলিস্কোপ’ অ্যাপ্লিকেশন বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে হুম্যাক ল্যাব লিমিটেড, ‘ফিন্যান্স বিডি’ অ্যাপ বানিয়ে রানার আপ হয়েছে বুয়েটের শিক্ষার্থী রাকিব উল আলম। সরকার ও জনসাধারণের অংশীদারিত্ব বিষয়ে ‘ফারমার কোয়ারি’ অ্যাপ বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এমপাওয়ার এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড, ‘ইউনিভার্সাল মিটার রিডার’ অ্যাপ বানিয়ে রানার আপ হয়েছে সূর্যমূখী লিমিটেড। পরিবেশ ও স্বাস্থ্য বিষয়ে ‘ক্রিটিক্যাল লিংক’ অ্যাপ বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ক্রিটিক্যাল লিংক, ‘লাইভ ব্লাড ব্যাংক’ অ্যাপ বানিয়ে রানার আপ হয়েছে ইজি টেকনলজি। শিক্ষা, প্রশিক্ষণ বিষয়ে ‘দূরবীন’ অ্যাপ বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দূরবীন ল্যাব, ‘ম্যাথ পার্কিং’ অ্যাপ বানিয়ে রানার আপ হয়েছে টিম ক্রিয়েটিভ।

এছাড়া পর্যটন ও সংস্কৃতি বিষয়ে ‘হাজি ইউজার্ড’ অ্যাপ বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টিম ওমলেট, ‘বাস ম্যাপ ঢাকা’র জন্য নারডক্যাটস এবং ‘বাংলাদেশ ফ্লাইট লাইভ’ অ্যাপের জন্য স্মার্টড্রয়েড যৌথভাবে রানারআপ হয়েছে। বিনোদন ও লাইফস্টাইল বিষয়ে ‘ট্যাপ ট্যাপ আন্টস: ব্যাটেল ফিল্ড’ গেম বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাইজ আপ ল্যাবস, ‘বই পোকা’ অ্যাপ বানিয়ে রানারআপ হয়েছে মবিঅ্যাপ লিমিটেড। মিডিয়া ও সংবাদ বিষয়ে ‘দেশি আইপিটিভি’ অ্যাপ বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে হক জাপান ট্রেড অ্যান্ড ট্রেডিং এবং ‘বাঙ্গি নিউজ’ অ্যাপের জন্য রাানারআপ হয়েছে বাঙ্গি নিউজ। প্রত্যেকটি বিষয়ে চ্যাম্পিয়নের জন্য প্রত্যেক অ্যাপ নির্মাতা ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অ্যাওয়ার্ড, সার্টিফিকেট, তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের পক্ষ প্রাইজ মানি হিসেবে থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং রবির পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা, কিউবির সংযোগসহ ওয়াইফাই রাউটার এবং সিম্ফনির পক্ষ থেকে ট্যাবলেট উপহার দেওয়া হয়। এছাড়া রানার আপের জন্য প্রত্যেককে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট, তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের পক্ষ প্রাইজ মানি হিসেবে থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং রবির পক্ষ থেকে ১৫ হাজার টাকা, কিউবির পক্ষ থেকে উপহার দেওয়া হয়।

অ্যওয়ার্ড অনুষ্ঠনের বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান এমসিসি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আবিরের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিজীয়দের হাতে পুরস্কার তুলে দিতে স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান, বার্ন ইউনিটের উপদেষ্টা ডা. সীমান্ত লাল সেন, জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভী রাখসান্দ, চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তফা সারওয়ার ফারুকী, অভিনেতা পরিচালক অনন্ত জলিল প্রমুখ।

Share Button

জাতীয় হ্যাকাথন ২০১৪ তে বিজয়ী ১০ টি প্রকল্পের বিস্তারিত বর্ণনা

০১. ট্রাফিক জ্যাম :
Gravity BD

টিমের নাম : গ্র্যাভিটি বিডি
টিমের সদস্য: আদনান আহমেদ খান (দলনেতা), আরমান আহমেদ হিমেল, বিশ্বজিৎ পান্ডে, বাপ্পী দত্ত, রাশিদুল হাসান।
বিশ্ববিদ্যালয় : আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: ট্রাফিক নাউ

আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্ররা যানযট সমস্যার সমাধান দিয়েছেন ট্রাফিক নাউ নামের একটি মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে। এই এ্যাপ্লিকেশনে ঢাকা শহরের বিভিন্ন ট্র্যাফিক সিগন্যালের প্রতি মুহুর্তের যানবাহনের চাপ দেখা যাবে। এ্যাপ্লিকেশনটি ওপেন করলেই ব্যবহারকারী নাউ নামে একটি বাটন দেখতে পাবেন, সেখানে প্রেস করলেই একটি ম্যাপ ইন্টারফেস ওপেন হবে। এই ম্যাপটিতে ব্যবহারকারীর বর্তমান অবস্থান থেকে আশেপাশের একটি নির্দিষ্ট দূরুত্বের ভিতরে সব সিগন্যালে যানবাহনের চাপ দেখানো হবে। যানবাহনের পরিমাণ বোঝাতে ইন্টারফেসটিতে ভিন্ন ভিন্ন রঙের মার্কার ব্যবহার রয়েছে। ব্যবহারকারীর অবস্থান থেকে গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছাতে কোন রুট ব্যবহার করলে সবচেয়ে কম সময় লাগবে এবং সর্বনিম্ন যানজটের মুখোমুখি হতে হবে তার একটি পরামর্শ প্রদান করবে এই এ্যাপ। যানযট ছাড়াও ব্যবহারকারী তার গন্তব্য স্থলে যাওয়ার পথে কোথাও অগ্নি সংযোগের ঘটনা অথবা দুর্ঘটনা, রাস্তা/ বৈদ্যুতিক কাজ চলমান থাকলে সেই জায়গাগুলোকে চিহ্নিত অবস্থায় দেখতে পাবেন।

যানযট কমানোর লক্ষ্যে রাস্তায় চলমান গাড়িগুলোর সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে, এই এ্যাপ্লিকেশনে পিক মি নামক বাটনে প্রেস করার মাধ্যমে লিফট চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ব্যবহারকারীর নিজের অবস্থান থেকে আশেপাশের কারা কোথায় যাওয়ার জন্যে লিফট চেয়েছেন সেটা দেখতে পাবেন। ম্যাপে তাদের ছবিসহ গন্তব্যস্থল উল্লেখ থাকবে। এখন শুধু একই গন্তব্যের যাত্রীদের গাড়িতে তুলে নেবার পালা। এই কাজটিও করবেন এই এ্যাপ্লিকেশনের আরেকজন ব্যবহারকারী।

০২. সাইক্লোন সেন্টার ম্যানেজমেন্ট :
UIU Ambassadors
টিমের নাম : ইউ.আই.ইউ অ্যাম্বাসেডর
টিমের সদস্য: মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ (দলনেতা), পার্থ প্রতিম সূত্রধর, মোঃ নাজমুল আহসান, মাহমুদুর রাশিদ, তাসফিকুল বারী।
বিশ্ববিদ্যালয় : ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: আস্থা

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের তৈরীকৃত এ্যাপ্লিকেশনটির নাম আস্থা। এই এ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করার জন্য প্রথমেই ব্যবহারকারীকে তার মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সাইক্লোন আঘাত হানতে পারে এমনসব এলাকার রেজিস্ট্রেড ব্যবহারীদের যেকোন ধরণের মুঠোফোনে সাইক্লোনের পূর্বাভাস বার্তা পৌঁছে যাবে। মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে এই বার্তা পাঠানো হবে। উপকূলবর্তী যে ১৬টি জেলায় সাইক্লোন হয়ে থাকে সেখানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম থাকার কারণে অ্যাপ্লিকেশনটি মূলত প্রশাসনিকভাবে ব্যবহারের জন্যই তৈরী করা হয়েছে। তবে সাধারণ ব্যবহারকারীও অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে নিজেদের মোবাইল নাম্বার রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন, এছাড়া সাইক্লোন সেন্টারের দায়িত্বরত ব্যক্তিও সাধারণ মানুষের মোবাইল নাম্বার নিবন্ধন করাতে পারবেন। দূর্যোগের সময় সাইক্লোন সেন্টারে অবস্থানরত শিশু, নারী, পুরুষ, গর্ভবতী নারীর সংখ্যা ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ইত্যাদি তথ্য সাইক্লোন সেন্টারের দায়িত্বরত ব্যক্তি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ডাটাবেজে পাঠাবেন। দূর্যোগকালীন সময়ে যদি মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ না থাকে তবে তথ্য মোবাইলে সংরক্ষিত হবে এবং পরবর্তীতে যখনই সংযোগ পাবে তখনই তথ্য ডাটাবেজে চলে যাবে। সাইক্লোন সেন্টার থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কোন এলাকায় কোন ত্রাণ বেশি প্রয়োজন তার একটি তালিকা তৈরী হবে। এই তালিকাটি সাধারণ ব্যবহারকারীরাও দেখতে পারবেন এবং ত্রাণদাতারা সেই অনুযায়ী প্রকৃত অর্থে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সঠিক ত্রাণ পৌঁছাতে পারবে।

এছাড়া দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ার কারণে সাইক্লোন সেন্টারগুলোতে যেসকল কাঠামোগত সমস্যা তৈরী হয়, তা সাইক্লোন সেন্টারের দায়িত্বরত ব্যক্তি তথ্য আকারে এবং ছবির মাধ্যমে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবে। উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ সেই তথ্য অনুযায়ী সাইক্লোন সেন্টারগুলোতে অর্থ বরাদ্দ করতে পারবেন।

০৩. দুর্নীতি :
Trillion Pixel
টিমের নাম : ট্রিলিয়ন পিক্সেল
টিমের সদস্য: সাকিব হাসান (দলনেতা), শিহাবুল হোসেন সানি, তাসিন আলম তানিম, মারুফ-উর রহমান, গুলশান জুবায়েদ প্রিন্স।
বিশ্ববিদ্যালয় : ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: গেম্বিট

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ট্রিলিয়ন পিক্সেল এর বানানো গেম্বিট নামের অ্যাপ্লিকেশনটি দুর্নীতি দমনে কাজ করে যাবে। দুর্নীতি হতে পরে এমন কোন স্থানে অথবা এমন কোন ব্যক্তির কাছে যাওয়ার সময় এটি চালু করলে এটি পরিপার্শ্বের অডিও রেকর্ড করতে শুরু করবে। যার ফলে দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তির সঙ্গে করা কথোপকথনটি রেকর্ড হয়ে যাবে। যদি তিনি কোন ধরণের অসাধু পন্থা অবলম্বনের কথা বলে থাকেন সেক্ষেত্রে ব্যবহারকারী উক্ত ব্যক্তির নাম, পদ, অফিস এবং দুর্নীতির বিবরণসহ রিপোর্ট করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে রেকর্ডকৃত অডিওসহ দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তির তথ্য একটি নির্দিষ্ট সার্ভারে পৌঁছে যাবে। সার্ভারে আসা অডিও ফাইল গুলো পরীক্ষা করে এর সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে অথবা একাধিক রিপোর্ট আসা ব্যক্তির গতিবিধি পরবর্তীতে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এছাড়াও অ্যাপ্লিকেশনটি থেকে ব্যবহারকারী অডিও ফাইলসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটারে নির্দিষ্ট হ্যাসট্যাগসহ শেয়ার করতে পারবেন। যার ফলে জনসচেতনতা বাড়বে, সাধারণ জনসাধারণের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার একটি সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধ হবে। এছাড়াও অধিক জনপ্রিয়তা অর্জনে এই অ্যাপ্লিকেশনটি অসাধু দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তির ভয়ের কারণ হতে পারে। এভাবে দেশে দুর্নীতির হার অনেক কমে আসবে।

০৪. যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা:
Buddies Dream
টিমের নাম : বাডিস ড্রিম
টিমের সদস্য: এনামুল হাসান (দলনেতা), মাহমুদুল হাসান, বনি আমিন রেজওয়ান, শেখ তৌকিরুল আলম, ফয়সাল আহমেদ।
বিশ্ববিদ্যালয় : ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: অজানা কথা

প্রকৃতপক্ষে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সমস্যা এদেশের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সমস্যার মধ্যে একটি। এই সমস্যার সমাধান দিয়ে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি’র ছাত্ররা তৈরী করেছেন অজানা কথা নামে একটি মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অধিকাংশ অভিভাবকরা বুঝতে পারেনা না যে তাদের বয়ঃসন্ধিকালীন ছেলেমেয়েদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত। এই এ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে অভিভাবকরা কিশোর কিশোরী পর্যায়ের সন্তানদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে নিজেদের দায়িত্ব, কর্তব্য ও আচারণের একটি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণসহ পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবেন। অপরদিকে ছেলে কিংবা মেয়ে তার বয়ঃসন্ধিকালীণ সময় বা তার পূর্ববর্তী অথবা পরবর্তী সময়ে যেসকল যৌন ও প্রজনন সম্পর্কিত সমস্যার সম্মুখিন হতে পারেন, তা এ্যাপ্লিকেশনটির বিভিন্ন শ্রেণীভাগের মাধ্যমে সেই সমস্যার কারণ ও সমাধানের ধারণাটি ব্যবহারকারী সহজেই পেয়ে যাবেন। ধারণাগুলোকে আরো সহজবোধ্য করার জন্য এ্যানিমেটেড ভিডিও’র মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া দেখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই এ্যাপ্লিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে এর ব্যবহারকারী প্রয়োজনীয় নিকটস্থ চিকৎসকের ও হেল্থ কমপ্লেক্সের যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার খুঁজে পাবেন। এছাড়াও ব্যবহারকারী একটি এসএমএস সাপোর্ট পাবেন যার মাধ্যমে তিনি অ্যাপসের নির্ধারিত জায়গায় তার সমস্যার কথা লেখার মাধ্যমে বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সেবা পাবেন।

এই এ্যাপ্লিকেশনটি অভিভাবকসহ বয়ঃসন্ধিকালীন বাংলাদেশের সকল কিশোর কিশোরী। তবে এ্যাপ্লিকেশনটি বাংলা ভাষাতে নির্মিত হওয়ায় দেশের সকল সাধারণ মানুষই এটা থেকে প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্য ও পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবেন। এই এ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক উদ্যোগ সহজেই দেখতে ও জানতে পারবেন। এর ফলে সাধারণ মানুষ, সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাঝে একটি যোগাযোগ সেতু তৈরি সম্ভব হবে।

০৫. অসংক্রামক রোগ:
BrackU Hennk
টিমের নাম : ব্র্যাক ইউ হেনক
টিমের সদস্য: নাহিদ কামাল (দলনেতা), সাইদ এরফান আরেফিন, শাহনেওয়াজ আহমেদ নাবিল, কৌশিক দীপ্ত দাশ জয়, তাশনিয়া আশরাফি হেয়া।
বিশ্ববিদ্যালয় : ব্র্যাক বিশ্বেবিদ্যালয়

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: স্মার্ট ডক্টর

অসংক্রামক রোগের পরীক্ষা ও পরামর্শের জন্য ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বানিয়েছেন স্মার্ট ডক্টর নামের একটি মোবাইল এ্যাপ। এটি ব্যবহারের জন্য প্রত্যেক নতুন ব্যবহারকারীকে প্রথমেই একটি নিবন্ধন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হবে যেখানে ব্যবহারকারীর সকল শারীরিক অবস্থার রেকর্ড থাকবে। এ্যাপ্লিকেশনে পূর্ব নির্ধারিত কিছু প্রশ্নের উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ব্যবহারকারী কোন ধরনের অসংক্রামক রোগ যেমন যেমন ডায়বেটিস, অ্যাজমা, হৃদরোগ, কিডনি বিষয়ক জটিলতা ইত্যাদিতে আক্রান্ত কি’না সেটা জানতে পারবেন। ব্যবহারকারীর রেড জোনে আছেন কি’না সেটাও জানতে পারবেন এবং এ্যাপ্লিকেশনটির সাহায্যে রোগের ধরণ অনুযায়ী কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও সম্পন্ন করতে পারবেন।

ধরা যাক, ব্যবহারকারী জানতে চায়ছেন তিনি কি’না। তাহলে তাকে এ্যাপ্লিকেশনের অ্যাজমা অপসনটি সিলেক্ট করতে হবে এবং “আপনার শর্ট ব্রিদিং হয় কিনা ?” “অল্পতেই টায়ার্ড হয়ে যান কিনা ?” ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর প্রদানের মাধ্যমে তিনি অ্যাজমা আক্রান্ত কি’না জানতে পারবেন। তবে কোন ব্যবহারকারী যদি তার শর্ট ব্রিদিং প্রোব্লেম সম্পর্কে না জানেন তাহলে এ্যাপ্লিকেশনের “চেক” অপসনটি সিলেক্ট করে সহজেই বুঝতে নিতে পারবেন যে তিনি এই সমস্যায় ভুগছেন কি’না। কফ পরীক্ষা করার জন্য সাধারন আলোতে এক টুকরা সাদা কাগজের উপরে ব্যবহারকারী তার কফ রেখে কফ মোবাইলের মাধ্যমে ছবি তুলে “ইমেজ প্রসেসিং” এর মাধ্যমে এটি কফের কালার, ধরণ এবং রঙ নির্ধারণ করবে যা নিবন্ধনের সময় ব্যবহারকারী প্রদানকৃত তথ্য থেকে মিলিয়ে উত্তর দিবে যে তিনি অ্যাজমায় আক্রান্ত কি’না। একই ভাবে এ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে ব্যবহারকারীর সুবিধামতো সময়ে ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াবেটিকস্, হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা ইত্যাদি রোগ সম্পর্কে জানা যাবে। এরপর রোগের অবস্থা অনুযায়ী এ্যাপসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর এলাকারা ডাক্তারের সাথে এ্যাপয়েন্টমেন্ট করা যাবে অথবা অন লাইন ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা যাবে।
যাদের স্মার্ট ফোন নেই তাদের কথা মাথায় রেখে একই সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন একটি ওয়েবসাইট প্রস্তুত করছে এই দলটি।

০৬. স্বাস্থ্য সম্মত আচরণগত পরিবর্তন :
Cosmuter
টিমের নাম : কজমিউটার
টিমের সদস্য: ইমরান এ সাগর (দলনেতা), ফজলে রাব্বি, সোহেল সরওয়ার, আখতারুজ্জামান আরিফ।
বিশ্ববিদ্যালয় : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: সেইভ দ্য রিভার

সেভ দা রিভার মূলত একটি সচেতনতা সৃষ্টিকারী গেম প্রজেক্ট। শিশুদের মাঝে স্যানিটেশন ও এদেশের নদীনালার গুরুত্ব সৃষ্টি করাই গেমটির মূল উদ্দেশ্য। স্যানিটেশন সমস্যার কারণে সমাজের যে সকল উপাদান ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাদের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে নদীনালাকে উপস্থাপন করা হয়েছে। গেমটি খেলার মাধ্যমে শিশুরা স্যানিটেশনের গুরুত্ব বোঝার সাথে সাথে এদেশের নদী, এর দূষণের মাত্রা এবং রক্ষা করার উপায় সম্পর্কে জানতে পারবে।

একটি নৌকার আরোহী হয়ে এই নদীপথে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে খেলোয়াড় নানা ধরনের বর্জ্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পন্ন বাঁধা অতিক্রম করবে, যেগুলো তাকে ধ্বংস করতে হবে। কারও সাহায্য ছাড়াই যেন শিশুরা গেমটি খেলতে পারে একারণে কন্ট্রোলিং সিস্টেম তাদের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। গেমটি খেলতে খেলতে একঘেয়ামি কাটানোর জন্য এখানে পদ্মা, কর্ণফুলী ও বুড়িগঙ্গা নামে তিনটি লেভেল রাখা হয়েছে। দূষণের মাত্রা বিবেচনা করে এ তিনটি লৈভেল তৈরি করা। এজন্য পদ্মা লেভেলটি সহজ, কর্ণফুলী মধ্যম কঠিন এবং বুড়িগঙ্গা অধিক কঠিন হিসেবে রাখা হয়েছে।

গেমটি UNITY 3D গেম ইঞ্জিন দিয়ে 2D ফরমেটে তৈরি করা হয়েছে। আপাতত এটি এ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে তৈরি করা হলেও অতি শিগ্রই এর IOS এবং Windos ভার্সন বের করা হবে। গেমটির কন্ট্রোলিং সিস্টেমে আনলিমিটেড ফায়ার এবং রোটেশান মুভমেন্ট ব্যাবহার করা হয়েছে যা যথেষ্ট ইউজার ফ্রেন্ডলি।

০৭. নিরাপদ নৌ-পরিবহন :
Brain Station-23
টিমের নাম : ব্রেইন স্টেশন ২৩
টিমের সদস্য: আবদুল্লাহ ফয়সাল (দলনেতা), অতীশ কুমার দিপঙ্কর, মো. জাকারিয়া, মো. আশরাফুল ইসলাম, কাজী ফয়সাল আরেফিন অভি।
প্রতিষ্ঠান : ব্রেইন স্টেশন ২৩ ডট কম

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: বিএস-ডাব্লিউটিএস (ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেফটি)

‘নিরাপদ নৌ পরিবহন ব্যবস্থা’ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ব্রেইন স্টেশন ২৩ তৈরী করেছেন বিএস-ডাব্লিউটিএস (ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেফটি) নামের মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন। এই এ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাবহারের মাধ্যমে যাত্রী প্রথমেই জেনে নিতে পারবেন গন্তব্য রুটে চলাচলকারী লঞ্চ/ স্টিমারটি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত কি’না। লঞ্চটির যাত্রী ধারণ ক্ষমতা, ফিটনেস এবং নৌপথে অনুমোদন সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি নির্দিষ্ট দিন এবং সময়ে যাত্রী তার গন্তব্যস্থলটি ইনপুট করে তিনি উক্ত দিনের আবহাওয়া এবং ঐ নৌপথ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আগাম জেনে নিতে পারবেন। যাত্রাপথে লঞ্চটি কোন কোন লঞ্চঘাটে যাত্রী উঠানামা করতে পারবে (অনুমোদিত) এ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে সেটিও জানা সম্ভব হবে। এ্যাপ্লিকেশনটি একই সাথে যাত্রাপথে প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটে এমন দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানসমূহ, নতুন জেগে উঠা চর সমূহ ইত্যাদি সম্পর্কে যাত্রী/ চালকদের আগাম সতর্কতা সংকেত প্রদান করবে। দূর্ঘটনা কিংবা ডাকাতি এমন ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতিতে ‘জরুরী সহায়তা’ বাটনে প্রেস করার মাধ্যমে ঐ দূর্ঘটনা স্থলের নিকটস্থ নৌ/ পুলিশ থানা, নৌকর্তৃপক্ষ ও পরিবারের প্রিয়জনদেরকে মুহুর্তেই এসএমএস পাঠিয়ে সহায়তা চাইতে পারবেন। এছাড়া নৌপথে যাতায়াতকালীন সাধারণ নির্দেশিকা, নিজস্ব রুট সেটআপ, সোশ্যাল শেয়ারিং’, যাত্রীসেবা সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় অভিযোগ ও মতামত প্রদান ইত্যাদি সুবিধা রয়েছে।

এককথায় নৌপথে যাতায়াতপূর্ব ও যাতায়াতকালীন প্রায় সকল যাত্রী জিজ্ঞাসা, সতর্কতা ও জরুরী সহায়তা সুবিধাসম্বলিত এই মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহারের মাধ্যমে নৌপথে ঘটমান দূর্ঘটনা প্রতিরোধ ও আগাম সতর্কতা প্রদানের মাধ্যমে নিরাপদ নৌ-পরিবহনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে এই এ্যাপ্লিকেশন। অবশ্য এজন্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নৌ-কর্তৃপক্ষ নৌপথ সংক্রান্ত সর্বশেষ আবহাওয়া বার্তা, জরুরী নির্দেশিকা, বিশেষ বার্তা ইত্যাদি পরিস্থিতি আপডেট রাখতে হবে।

০৮. প্রশ্নপত্র ফাঁস :
Team Trimatrik
টিমের নাম : টিম ত্রিমাত্রিক
টিমের সদস্য: এমএম হোসেন দ্বীপ (দলনেতা), মেহেদী হাসান বাপ্পী, ফুয়াদ সৈয়দ, খান ইয়াসির আরাফাত, মীর আশরাফ আলী রনক, মহুদ্দিন বুলবুল।
বিশ্ববিদ্যালয় : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: দ্যা গার্ড

পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া বন্ধ করতে এবং কেন্দ্রের প্রতিটি হলে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র ছাত্ররা তৈরী করেছেন দ্যা গার্ড নামের একটি মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন। এই এ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের ফলে পরীক্ষার হলে ডিজিটাল ন্যানো ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষার হলে জালিয়াতির সুযোগ বন্ধ হবে। এই এ্যাপ্লিকেশনে কয়েক ধাপে জালিয়াতি বন্ধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যেমন- এ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে জেএসসি/ পিএসসি/ এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদেরকে স্বতন্ত্র ছজ কোডের ভিত্তিতে সনাক্ত করা যাবে। এর ফলে যেমন সময় বাঁচবে তেমনি একজনের পরীক্ষা অন্য কেউ দিয়ে দিতে পারবে না। পরীক্ষার হলে যদি কেউ কোন ধরনের ব্লুটুথ ডিভাইস অন করে তাহলে ব্লুটুথ ডিভাইস ডিটেকশন নামের ফিচারটির সাহায্যে এই এ্যাপ্লিকেশনটি সতর্ক সংকেত প্রদান করবে এবং সেটি কত দূরত্বে আছে সেটা নির্দেশ করবে। একইভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রের আসেপাশে কেঊ ওয়াই-ফাই হটস্পট সৃষ্টি করলে সেটিও নির্দেশ করবে। মোবাইল ডিভাইস ট্রাকারের মাধ্যমে এই এ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে মোবাইল ডিভাইস ট্রাক করাও সম্ভব হবে। এছাড়া হোম অপশনে সবসময় হলের স্ট্যাটাস আপডেট করা হবে যেখানে কত জন স্টুডেন্ট উপস্থিত ও কতটা ডিভাইস ডিটেক্ট করা হয়েছে তা থাকবে।

০৯. যৌন হয়রানি :
RITL
টিমের নাম : রূপম আইটি
টিমের সদস্য: ইকরাম হোসেন, মতিউর রহমান শাওন, মোহাম্মদ হানিফ, মোস্তাফিজুর রহমান, হিশাম রুম্মান।
প্রতিষ্ঠান : রূপম আইটি লিমিটেড

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: ডাক

যৌন হয়রানির মতো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রূপম আইটি লিমিটেড এর ডেভলপাররা তৈরী করেছেন ডাক নামের একটি মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন। আক্রান্ত নারীদের ডাকে তাৎক্ষনিক ভাবে সাহায্য ও আশা পৌঁছে দেওয়াই এই এ্যাপ্লিকেশনের প্রধান উদ্দেশ্য। আক্রান্ত হবার বিভিন্ন পরিস্থিতি ও পর্যায় বিবেচনা করে এ্যাøিকেশনটিতে সর্বমোট ৬টি মুডে কাজ করবে। যেমন-

ইমাজেন্সি মুড : বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুলিশ অথবা অন্য কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসার আগেই দুর্ঘটনা ঘটে যায়। জরুরী ভিত্তিতে ঐ ব্যক্তিকে সাহায্য করার জন্য ডাক এর ইমাজেন্সি মোড এক্টিভেট করে আশে পাশের ১ কিঃমিঃ এর মধ্যে সকল ডিভাইসে জরুরী অ্যালার্ম বাজিয়ে সাহায্যের জন্য একটি রিকোয়েস্ট পাঠাবে । যদি কেউ ঐ রিকোয়েস্ট গ্রহণ করে তাহলে গুগল ম্যাপ এর মাধ্যমে সহজে ঐ বিপদে পড়া ব্যক্তি কাছে যেতে পারবেন এবং সে এটাও দেখতে পারবেন আর কয়জন তাকে সাহায্য করতে আসছেন। এছাড়াও পুলিশ এবং আগে থেকে সেভ করা নাম্বার ব্যবহারকারীর বিপদের বর্ণনা এবং লোকেশান সহ একটি এসএমএস চলে যাবে।

সেফটি মুড : জরুরী অবস্থা ছাড়াও যেকোন আশঙ্কায় ব্যাবহারকারী তার রিয়েলটাইম লোকেশন তার সেভ করা নাম্বার গুলোর সাথে শেয়ার করতে পারেন।

ট্রাভেল মুড: ভ্রমনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী সিএনজি বা কোন যানবাহনে উঠার আগে ঐ যানবাহনের নাম্বার প্লেট এর ছবি তুলে তার কাছের বিশ্বস্ত কারো সাথে শেয়ার করতে পারবেন। আবার যানবাহনে উঠার পর তিনি কোথায় যাবেন তা গুগল ম্যাপে লোকেশান সিলেক্ট করে দিলে ব্যবহারকারীকে গন্তব্যে পৌঁছানোর সম্ভাব্য সকল রাস্তা দেখানো হবে, যদি কোন কারণে ঐ যানবাহন ঐ সম্ভাব্য রাস্তা থেকে সরে যায় তাহলে ব্যবহারকারীর ফোনে অ্যালার্ম বেজে উঠবে এমনকি সে তার লোকেশান বিশ্বস্ত কারো সাথে শেয়ার করতে পারবে এবং একই ভাবে ঐ ব্যক্তির ফোনেও অ্যালার্ম বেজে উঠবে।

হট-কি: ব্যবহারকারী যদি এমন অবস্থায় পড়েন যে তিনি ফোন ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন না তাহলে এই মুডে তিনি তার ফোনের পাওয়ার এবং ভলিউম আপ বাটন একসাথে ৩ সেকেন্ড ধরে রাখলে ইমার্জেন্সি মুড এক্টিভেট হয়ে যাবে ।

ফেক কল : অফিস কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে কাউকে এড়িয়ে যাবার জন্য এটি ব্যাবহার করা যেতে পারে। শুধুমাত্র টাইম, নাম এবং নাম্বার সেট করে দিলে ঐ সেট করা নাম এবং নাম্বার থেকে ঐ সময়ে একটি ফেক কল বেজে উঠবে এবং ঐ কল রিসিভ করে কথা বলার ভান ধরে ব্যবহারকারী যেকোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে পারেন।

হেল্প লাইন: ব্যবহারকারী চাইলে এ্যাপ্লিকেশনে সংরক্ষিত লিস্ট থেকে জেলা ভিত্তিক পুলিশ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংস্থার নাম্বারে সাহায্যের জন্য কল করতে পারবেন।

১০. সড়ক নিরাপত্তা :
Mobio men
টিমের নাম : মোবিও ম্যান
টিমের সদস্য: ফিদা মুনতাসির (টিম লীডার), ফরহাদ আন নাঈম, আবিদ হাসান শাওন, শরিফ-উল-ইসলাম, তানভীর আহমেদ।
প্রতিষ্ঠান : মোবিও এ্যাপ লিমিটেড

এ্যাপ্লিকেশনের নাম: নিরাপদ যাত্রা

সড়ক দুর্ঘটনা রোধের মাধ্যমে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে মোবিওম্যান তৈরী করেছে নিরাপদ যাত্রা নামের এন্ড্রয়ড এ্যাপ্লিকেশন। এই অ্যাপের অন্যতম সুবিধা হচ্ছে SOS সার্ভিস। এর মাধ্যমে ব্যাবহারকারী কোন দূর্ঘটনায় পতিত হলে এক ক্লিকে তার অবস্থান নিকটস্থ উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়া এ্যাপ্লিকেশনটিতে রয়েছে ছবি, জিপিএস অবস্থানসহ সড়ক দুর্ঘটনা রিপোর্ট করার সুবিধা। রয়েছে ম্যাপ যার মাধ্যমে ব্যাবহারকারী তার বর্তমান অবস্থানের চারপাশে অথবা নির্দিষ্ট দুই অবস্থানের মধ্যকার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহ দেখতে পারবেন। ব্যাবহারকারী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার নিকটবর্তী হলে নোটিফিকেশন পাবেন। এছাড়া ম্যাপের মাধ্যমে আশপাশের থানা, হাসপাতাল, ফায়ার ব্রিগেডের অবস্থান দেখা এবং এ্যাপসের মাধ্যমে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার সুবিধা।

সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রয়েছে ট্রাফিক আইন, ট্রাফিক চিহ্নসমূহের বিবরণ ও সংশ্লিষ্ট ভিডিও দেখার সুবিধা। এছাড়া রয়েছে অত্যাধুনিক ‘অগমেন্টেড রিয়েলিটি প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রাফিক চিহ্নসমূহ শনাক্তকরণ। কো ধরনের দুর্ঘটনা সংঘটিত হলে তাৎক্ষনিক প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কিত তথ্য এবং টর্চ/ সাইরেন এর ব্যবস্থা রয়েছে এই এ্যাপ্লিকেশনে। এছাড়া রয়েছে দুর্ঘটনার খবর জানার জন্য নিউজ ফিড এবং নোটিফিকেশনের সুবিধা। এর বাইরে এ্যাপের মাধ্যমে ব্যাবহারকারী গাড়ি চালক বা পরিবহনের ব্যাপারে মতামত বা অভিযোগ জানাতেও পারবেন। ভবিষ্যতে এই এ্যাপে আরও প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা যোগ করার সুযোগ ও পরিকল্পনা রয়েছে।

Share Button

শেষ হলো উদ্ভাবনের উৎসব জাতীয় হ্যাকাথনে ১০টি সেরা সমাধান

_89A0298
জাতীয় দশ সমস্যার সমাধানে নতুন উদ্ভাবনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো টানা ৩৬ ঘন্টার ম্যারাথন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা তথা জাতীয় হ্যাকাথন। শনিবার ঢাকার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) তে শুরু হওয়া এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় এই হ্যাকাথনে বেরিয়ে এসেছে উদ্ভাবনী সমাধান। ১০টি জাতীয় সমস্যার সমাধান দিয়ে হ্যাকাথনে সেরা দল নির্বাচিত হয়েছে ১০টি দল। তাদের প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০ লাখ টাকার ইনোভেশন ফান্ড দিচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। নির্বাচিত ১০টি দলের মধ্যে ট্রাফিক জ্যাম- এই সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম গ্রাভিটি বিডি। নিরাপদ সড়ক- এই সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে মোবাইও এ্যাপ লি. এর টিম মোবিওম্যান। সাইক্লোন সেন্টার ব্যবস্থাপনা সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টিম ইউআইইউ এ্যাম্বাসাডর। দূর্নীতি দমন বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়েছে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ট্রিলিয়ন পিক্সেল। নিরাপদ পানি পরিবহন বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে ব্রেন স্টেশন নামক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টিম ত্রিমাত্রিক। যৌন হয়রানি বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে রূপম আইটি লিমিটেড এর আরআইটিএল ডাক। যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সাইন্স এর টিম বাডিস ড্রিম। সেনিটেশন বিহেবিহারাল চেইঞ্জ বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম কজমিউটার। অসংক্রামক রোগের বৃদ্ধি সমস্যার সমাধান দিয়ে প্রথম হয়েছে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ব্রাক উ হেন্ক।

হ্যাকাথনের সমাপনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী স্থাপতি ইয়াফেস ওসমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ, একই বিভাহের যুগ্ম সচিব জনাব শ্যামা প্রসাদ ব্যাপারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এর সভাপতি জনাব ইঞ্জিনিয়ার একেএমএ হামিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিউবির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জনাব ডিএস ফয়সাল হায়দার। আরো উপস্খিত ছিলেন ইএটিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান, বিডি ভেঞ্চার লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসাইন এবং প্রকল্প পরিচালক মিনা মাসুদ উজ জামান। সমাপনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এমসিসি লি. এর নির্বাহী পরিচালক আশ্রাফ আবির।

শনিবার কর্মশালার মাধ্যমে এই হ্যাকাথনের উদ্বোধন করেছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এতে অংশ নিয়েছিল ২৯৮ টি দল। এরমধ্যে শিক্ষার্থীদের দল ছিল ২৪৪টি। ৫৪টি প্রফেশনাল দল। দূনীর্তি, প্রশ্নফাঁস, সড়ক নিরাপত্তা, লঞ্চডুবি, যৌন হয়রানি, স্যানিটেশন, যানজট, মাতৃস্বাস্থ্য, বলতে দ্বিধা এমন স্বাস্থ্যসমস্যা এবং সাইক্লোন ব্যবস্থাপনার দশটি সমস্যায় অ্যাপ্লিকেনশন তৈরির মাধ্যমে সমাধান খোঁজার চেষ্টায় নেমেছিল এক হাজার ৭৪৫ জন তুখোড় প্রোগ্রামার।

একযোগে ৩৬ ঘন্টার কর্মযজ্ঞ শেষে গতকাল রবিবার বিকেলে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বেছে নেওয়া হয় সেরা ১০টি দলকে। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের সদস্যদের একটাই লক্ষ্য ছিল, নির্ধারিত ১০টি জাতীয় সমস্যা সমাধান করে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা। অবশেষে সেই প্রতিযোগিতায় বেরিয়ে এলো নানা উদ্ভাবন।

ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ‘ট্রিলিয়ন পিক্সেল’। সাকিব হাসান (টিম লীডার), শিহাবুল হোসেন সানি, তাসিন আলম তানিম, মারুফ-উর রহমানের এই দল দুনীতি দমন নিয়ে। সাকিব হাসান তার বিজয়ী এ্যাপ্লিকেশন সম্পর্কে বলেন, দুর্নীতি হতে পরে এমন কোন স্থানে এই এ্যাপ্লিকেশনটা চালু করলে এটা পরিপার্শ্বের অডিও রেকর্ড করতে শুরু করবে এবং একটি নির্দিষ্ট সার্ভারে তথ্য পৌছে যাবে। যেখান থেকে কর্তৃপক্ষ অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

টিম ‘গ্রাভিটি বিডি’ নামের দলটি এসেছে আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এ দলে আছেন আদনান আহমেদ খান (টিম লীডার), মো. আরমান আহমেদ, বিশ্বজিৎ পান্ডে, বাপ্পী দত্ত, রাশিদুল হাসান। এই দলটি এমন একটি এ্যাপ্লিকেশনের নমুনা তৈরী করেছে যেখানে সে তার গন্তব্য এ্যাপ্লিকেশনে ইনপুট দিলে সে ঐ সময়ে ঐ পথে চলাচলকারীরা ঐ ব্যক্তিকে লিফট দিতে পারবে।

হ্যাকাথন বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান আয়োজক এমসিসি লিমিটেডের সিইও আশ্রাফ আবির আবির জানান, হ্যাকাথনে প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। কোন সমস্যা যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে পুরো টিম ব্যস্ত ছিল। ৩৬ ঘন্টার একটানা শ্রমের প্রেক্ষিতে যে উদ্ভাবন বেরিয়ে আসছে তা জাতীয় জীবনের বহু সমস্যার সমাধানে সহায়ক হবে।

জনগনের মতামত ও বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় এই হ্যাকাথনের জন্য ১০টি জাতীয় সমস্যা চিহ্নিত করা হয়। সম্মেলনে এক হাজার ৭০০ প্রোগ্রামার, ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী, অ্যাপনির্মাতা ৩৪০টি টিমে বিভক্ত হয়ে অংশ নেন। পাশাপাশি ৪৯টি পেশাদার কোম্পানি অংশ নেয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে হ্যাকাথন বাস্তবায়ন করেছে এমসিসি লিমিটেড। সহযোগিতায় রয়েছে ইএটিএল, বেসিস, সিম্ফোনি, গ্রামীণফোন, রবি, সোলকোয়েস্ট, গুগল ডেভেলপার গ্রুপ, বেটার স্টোরিজ ও বিডি ভেঞ্চার লিঃ।

প্রসঙ্গত: বিশ্ব জুড়ে হ্যাকাথন ম্যারাথন কোডিং ইভেন্ট হিসেবে স্বীকৃত। হ্যাকাথনে ডেভেলপারদের দক্ষতার চূড়ান্ত প্রদর্শনী হয়।

Share Button

শুরু হলো ‘জাতীয় হ্যাকাথন ২০১৪’ জাতীয় ১০ সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান বের করবেন প্রোগ্রামাররা

_89A9432
নাগরিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি সমস্যার প্রযুক্তি নির্ভর সমাধান বের করতে ঢাকায় শুরু হলো ‘জাতীয় হ্যাকাথন-২০১৪’। প্রশ্নপত্র ফাঁস, যৌন হয়রানি, দুর্নীতি, যানজট, সড়ক নিরাপত্তা, স্যানিটেশন, সাইক্লোন সেন্টার ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আচরণগত পরিবর্তন, অ-সংক্রামক রোগের বৃদ্ধি, নৌযান নিরাপত্তার মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সমস্যর সমাধানের উপায় বের করতে সারাদেশের এক হাজার ৭৪৫ জন তুখোড় প্রোগ্রামাররা একযোগে ৩৬ ঘন্টার কর্মযজ্ঞে নেমেছেন। জনগনের মতামত ও বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় এই হ্যাকাথনের জন্য ১০টি জাতীয় সমস্যা চিহ্নিত করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এসব সমস্যা চিহ্নিত করতে তার ফেইসবুকে পেইজে স্ট্যাটাস দিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত নেন।
আজ সকালে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) তে সরকারি আয়োজনে দেশের সবচেয়ে বড় এই হ্যাকাথনের উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ভিন্নধর্মী এক উপস্থাপনায় তিনি ‘ভিশন ২০২১’-এর ওপর একটি কর্মশালা করেন। এতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন তার আধুনিক রুপায়ন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ।’ দেশ এখন তথ্য প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে। আগামীতে আরও এগিয়ে যাবে যেখানে মানুষ ২০২১ সালের আগেই একটি তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর উন্নত জীবন পাবেন।

পলক আরো বলেন, সবাই যেখানে শুধু সমস্যার কথা বলছে, সমাধানের কথা কেউ বলছে না, সেখানে আমরা সমস্যাগুলোর সমাধানে ১৭০০ মানুষ একত্রিত হয়েছি। জতীয় হ্যাকাথন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় জীবনের সমস্যাগুলোর সমাধানের পথ বেরিয়ে আসবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। তিনি সবাইকে এতে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করা ও এগুলোর সমাধানে নতুন কিছু করার আহবান জানান।

সম্মেলনে এক হাজার ৭০০ প্রোগ্রামার, ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী, অ্যাপনির্মাতা ৩৪০টি টিমে বিভক্ত হয়ে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি ৪৯টি পেশাদার কোম্পানি অংশ নিচ্ছে। পাঁচ সদস্যের কোডার ও ডিজাইনারের সমন্বয়ে প্রতিটি টিম গঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, পেশাদার সফটওয়ার ডেভেলপার, দেশের তুখোড় সব প্রোগ্রামাররা দলগতভাবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতাবৃদ্ধি কর্মসূচী’-এর আওতায় দেশজুড়ে তৃণমূল পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপবিষয়ক কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরাও আছেন এই সম্মেলনে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোপগ প্রযুক্তি বিভাগের যুগ্ম সচিব শ্যামা প্রসাদ ব্যাপারি, রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সুপুন বীরসিংহে, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের যুগ্ম সচিব এমদাদুল হক, জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতাবৃদ্ধি কর্মসূচীর প্রকল্প পরিচালক মিনা মাসুদ উজ্জামান, স

Share Button

উদীয়মান সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান শুরু হচ্ছে ‘জাতীয় হ্যাকাথন’: বিজয়ীদের জন্য ২০ লাখ টাকা ইনোভেশন ফান্ড

সড়ক, নৌ-দুর্ঘটনা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের দৈনন্দিন ও বড় বড় সমস্যাসমূহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষ করে মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে বের করতে সরকারি আয়োজনে দেশের সবচেয়ে বড় এই হ্যাকাথন আগামী শনিবার ঢাকার রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সম্মেলনে এক হাজার ৭০০ প্রোগ্রামার, ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী, অ্যাপনির্মাতা ৩৪০টি টিমে বিভক্ত হয়ে অংশ নেবেন। পাশাপাশি ৪৯টি পেশাদার কোম্পানি অংশ নিচ্ছে। পাঁচ সদস্যের কোডার ও ডিজাইনারের সমন্বয়ে একটি টিম গঠিত হয়েছে। বিজয়ীরা ২০ লাখ টাকার ইনোভেশন ফান্ড পাবেন তাদের সমাধানগুলোকে পরিপূর্ণ রূপ দেওয়ার জন্য।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। এটি বাস্তবায়নে এমসিসি লিমিটেড সহ সহযোগিতায় রয়েছে ইএটিএল, বেসিস, সিম্ফোনি, গ্রামীণফোন, রবি, সোলকোয়েস্ট, গুগল ডেভেলপার গ্রুপ, বেটার স্টোরিজ ও বিডি ভেঞ্চার লিঃ।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, পেশাদার সফটওয়ার ডেভেলপার, দেশের তুখোড় সব প্রোগ্রামাররা দলগতভাবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচী’-এর আওতায় দেশজুড়ে তৃণমূল পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ বিষয়ক কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাও থাকবেন এই সম্মেলনে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা বিরতিহীনভাবে ৩৬ ঘন্টাব্যাপি কোডিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সলিউশনের প্রোটোটাইপ (নমুনা সমাধান) তৈরি করবেন। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন গ্রুপে কাজ করবেন এবং সেটার মনিটরিং এবং তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতার জন্য বিশেষজ্ঞ দল প্রস্তুত রয়েছেন। সম্মেলনে ৩০ জন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ প্রতিযোগিতার মূল্যায়নের দায়িত্বে থাকবেন।

গতানুগতিক উদ্বোধনি পর্বের বাইরে গিয়ে সম্মেলনের শুরুতেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ‘ভিশন ২০২১’-এর ওপর একটি কর্মশালা করাবেন। এরপর ডিজাইন স্প্রিন্ট এবং পেপার প্রটোটাইপ ডেভেলপ করবে সবাই। তারপরই শুরু হবে মূল কোডিং পর্ব। এর মাঝে নানা ধরনের টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন বিকেল ৪টায় সমাপনী পর্বে চূড়ান্ত পর্বের সমাধান প্রদর্শনী ও বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে।

বিজয়ী ১০ জন পাবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার। তাদের প্রকল্পগুলো পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়ার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সহযোগিতা করবে। এজন্য সেরা সমাধানদাতারা পাবেন ২০ লাখ টাকার ইনোভেশন ফান্ড। এছাড়া বিডি ভেঞ্চারের সৌজন্যে আর্থিক সহায়তা পাবেন। এছাড়া মাইক্রোসফট মোবাইল, সিম্ফোনি, রবি এবং গ্রামীণফেনের পক্ষ থেকেও নানা পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকছে। বেটার স্টোরিজ লিমিটেড এক বছরের জন্য বাজারজাত সহায়তা প্রদান করবেন।

প্রসঙ্গত: বিশ্বজুড়ে হ্যাকাথন ম্যারাথন কোডিং ইভেন্ট হিসেবে স্বীকৃত। হ্যাকাথনে ডেভেলপারদের দক্ষতার চূড়ান্ত প্রদর্শনী হয়। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এই ওয়েবসাইটে।

Share Button

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: আপনার উদ্ভাবনী অ্যাপ আজই জমা দিন ডিসেম্বরে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার

দেশের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন শিল্প বিস্তারের লক্ষ্যে নির্মাতাদের পুরস্কৃত করবে সরকার। আর তাই দেশ সেরা মোবাইল কন্টেন্ট ও উদ্ভাবনী অ্যাপ্লিকেশন বাছাই ও প্রসারের উদ্দেশ্যে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৪ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে ঢাকায় আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে সেরা নির্মাতাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে সর্বমোট ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার ও বিশেষ সন্মাননা স্মারক। জমকালো এ আয়োজনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। যারা জাতীয় পুরস্কার পেতে আগ্রহী নভেম্বরের মধ্যে তাদেরকে নিজের সেরা কাজটি জমা দিতে হবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে সর্ব সাধারণের উপযোগী ও সহজ করার জন্য এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সর্বোচ্চ মানের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের প্রাপ্য স্বীকৃতি প্রদানই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। পুরস্কারের জন্য জমাকৃত প্রকল্পগুলো দেশ সেরা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বিশেষজ্ঞরা মূল্যয়ন করবেন এবং এখান থেকে সর্বমোট আট জন বিজয়ীকে নির্বাচন করা হবে। বিজয়ীরা তাদের প্রকল্পগুলো প্রচার ও প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রদর্শনের জন্য ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৫ তে আমন্ত্রন পাবেন। এছাড়া বিজয়ীরা বৈশ্বিক মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনের সর্ববৃহৎ আয়োজন ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড-২০১৫: মোবাইল কনটেন্ট গ্লোবাল কংগ্রেস’ এ সরাসরি অংশগ্রহনের সুযোগ পাবেন। আগামী ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৪ তে মনোনীত হওয়ার অর্থ আপনার উদ্ভাবনী প্রকল্পটি নির্ধারিত ৮টি ক্যাটাগরীরতে দেশের সেরা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। তাই জাতীয় পুরস্কারের জন্য আজই আপনার উদ্ভাবনী অ্যাপ্লিকেশনটি জমা দিন।

যে আটটি বিষয়ে উদ্ভাবনী প্রকল্প জমা নেওয়া হবে সেগুলো হলো: ব্যবসা, বাণিজ্য, ব্যাংকিং ও ভ্রমণ; সরকার ও জনসাধারণের অংশীদারিত; শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, লাইফস্ট্যাইল ও বিনোদন বিষয়ক প্রকল্প; পর্যটন ও সাংস্কৃতি; মিডিয়া ও সংবাদ; পরিবেশ ও স্বাস্থ্য; অন্তর্ভূক্তি ও ক্ষমতায়ন বিষয়ক প্রকল্প।

জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার এ শিল্পের সাথে জড়িত যে কোন কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির জন্য উন্মুক্ত। মোবাইল/ট্যাব/আইপ্যাড প্লাটফর্মে কার্যকর এমন অ্যান্ড্রয়েড/আইওএস/ উইন্ডোজ/ ব্লাকবেরী/ জেটুমি অ্যাপ্লিকেশন গ্রহন করা হবে। অংশগ্রহণকারীদের পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প জমা দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ড্রাফট, পরীক্ষামূলক বা অসম্পূর্ণ প্রকল্প গ্রহণ করা হবেনা। শুধু ১ জানুয়ারি ২০১৩ এরপর সম্পন্ন হওয়া প্রকল্প গুলো জমা নেওয়া হবে। একটি প্রকল্প কেবল একটি ক্যাটাগরিতে জমা দেওয়া যাবে। একই প্রতিষ্ঠান, কোম্পানী বা দলের একাধিক প্রকল্প জমার ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রকল্পের জন্য আলাদা আলাদা নিবন্ধন করতে হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২০শে নভেম্বর। আবেদনের জন্য এই লিঙ্ক এ প্রবেশ করুন: www.nationalappsbd.com

Share Button

মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পাচ্ছে: পলক, সরকারী সেবাপ্রাপ্তি সহজ করতে ২৫টি মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন

_89A6168 copy
বর্তমান সরকার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের মাধ্যমে মানুষের উন্নত জীবন যাপনের স্বপ্ন পূরণ করে জনগনের আরো কাছে যেতে চাই। ইতিমধ্যে দেশের মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পেতে শুরু করেছে। জনগনের দ্বারগোড়ায় সরকারী সেবা পৌছে দিতে আগামীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হবে। আজ ২৫টি নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উদ্বোধন সরকারের জনগনের আরো কাছে যাওয়ার প্রচেষ্টারই অংশ।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওতে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) অডিটরিয়ামে ‘জনগনের আরো কাছে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহ্মেদ পলক, এমপি। ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচীর’ আওতায় বাংলাদেশ সরকাররের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তরের নির্বাচিত সেবা নিয়ে নির্মিতব্য ১০০টি মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে অাজ ২৪ সেপ্টেম্বর ২৫টি মোবাইল এ্যাপসের প্রথম সংস্করণ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ ফারুক, বেসিসের জ্যেষ্ঠ সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি আবু হানিফ মো: মাহফুজুল আরিফ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন প্রকল্পের কর্মসূচী পরিচালক মিনা মাসুদ উজ্জামান, কর্মসূচী উপপরিচালক আলাওল কবির, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান এমসিসি লিমিটেডের সিইও আশ্রাফ আবির, ইএটিএল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুবিন খানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ তথ্য প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন তথ্য ও সেবা পৌছে দিতে সরকার বদ্ধ পরিকর। থ্রিজি মোবাইল সেবা চালুর ফলে এখন তরুণ প্রজšে§র হাতে হাতে স্মার্টফোন। এসব স্মার্টফোনের কার্যকর ব্যবহারের জন্য প্রচুর স্থানীয় মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন প্রয়োজন। সরকার বেসরকারী উদ্যোক্তাদের এ কাজে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জরুরী সেবাগুলো আস্তে আস্তে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে নিয়ে আসবে।

তিনি বলেন, আজ যে এ্যাপ্লিকেশনগুলো উদ্বোধন করা হলো তা পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তর নিয়মিত হালনাগাদ রাখবে বলে আশা করি। বর্তমানে এসব এ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে তার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ ফারুক বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ জনগনের হাতের মুঠোয় সরকারী তথ্য ও সেবা পৌছে দেওয়ার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এই ধরনের প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য গ্রহণের বিষয়ে সাধারণ মানুষের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে এমসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আবির বলেন, সরকারী সেবা জনগনের কাছে নিয়ে যাওয়ার এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত। স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহারকে কার্যকর করার জন্য আরো নতুন নতুন এ্যাপ্লিকেশন আনতে হবে। সরকারীভাবে শুরু হওয়া এই উদ্যোগকে অব্যাহত রাখতে হবে।

উদ্বোধন করা ২৫টি এ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে-তথ্য অধিকার আইন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিএইচবিএফসি লোন ক্যালকুলেটর, নজরুল গীতি, সঞ্চিতা, ঢাকা চিড়িয়াখানা, সরকারী সেবা, বিটিআরসি, কপি রাইট আইন, আর্কিওলজী অব বাংলাদেশ, পাবলিক লাইব্রেরী, টেক্সটাইল ক্যালকুলেটর, প্রাইজ বন্ড, ই-জয়ীতা, এফডিসি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, অফিসের ব্যায়াম, ৭২’এর সংবিধান, নদ-নদীর তথ্য, হাসপাতাল ফাইন্ডার, মাদকদ্রব্য ও কিশোর অপরাধ, ইমিউনাইজেশন এ্যালার্ট, ইনসেক্ট কন্ট্রোর অব ক্রপ, রুফ গার্ডেনিং, ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ। এসব এ্যাপ্লিকেশন গুগল প্লে স্টোর এবং স্ব স্ব মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাটে পাওয়া যাবে।

অনুষ্ঠানে অ্যাপস উপস্থাপন ও আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এসময় ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচীর’ অগ্রগতি, বাংলাদেশে স্মার্টফোন ও মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার, ২০২১ সালে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ শীর্ষক বিভিন্ন জরুরী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। নজরুল ইন্সটিটিউটের পরিবেশনায় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

Share Button

বরিশালে জাতীয় বুটক্যাম্পে এনআই খান এ্যন্ড্রয়েডের বিলিয়ন ডলারের বাজারে নেতৃত্ব দেবে তরুণরা

_89A5240 copy
দ্রুত বাড়ছে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনের বাজার। ২০১২ সালে এ্যন্ড্রয়েড মার্কেটের আকার ছিলো ১৩ বিলিয়ন ডলার যা ২০১৩ সালে এসে ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পরিণত হয়েছে। এই বিশাল বাজারে দেশের তরুনদের ভাগ বসানোর আহ্ববান জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘এ্যান্ড্রয়েডের বিলিয়ন ডলার মার্কেটে আপনাদেরকে নেতা হতে হবে। আপনাদেরকেই এই মার্কেটে নেতৃত্ব দিতে হবে। এজন্য নিজে শিখুন, আশেপাশের অন্যদেরকেও শেখান।’

বরিশাল বিভাগে এ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডেভলপারদের নিয়ে আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল বুট ক্যাম্প বা জাতীয় প্রশিক্ষণ শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন নজরুল ইসলাম খান। বরিশাল মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই বুট ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘কম্পিউটার জানা ছেলে-মেয়েদের আমরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফ্রি ল্যান্সার হিসেবে তৈরী করছি। এই ফ্রি ল্যান্সারদেরকে উদ্যোক্তা তৈরী করা হচ্ছে। আর এই উদ্যোক্তাদেরকেই শিল্পপতি হিসেবে প্রস্তুত করা হবে।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব ও কর্মসূচী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আবুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. রঞ্জিত চন্দ্র খান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ খান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মাদ ইব্রাহীম, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন, এমসিসি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী আশ্রাফ আবির। এই বুট ক্যাম্পটি পরিচালনা করে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান এমসিসি লি.

প্রকল্পের নানা দিক তুলে ধরে আবুল হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত করতে এই প্রকল্প সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এই প্রকল্পের আওতায় ২৫০০ ছাত্রছাত্রীকে এ্যান্ড্রয়েড ডেভলপার প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। আরো একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে যেটার মাধ্যমে ২৫০০০ মানুষকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

দিনব্যাপী এই বুট ক্যাম্পে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে পাঁচশ‘র বেশি এ্যাপ্লিকেশন ডেভলপার একত্রিত হন। এ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডেভলপমেন্টের বিভিন্ন উচ্চতর কারিগরী বিষয় যেমন গেইম ডেভলপমেন্ট, মোবাইল এ্যাপের ব্যবসার উপায় ছাড়াও একটি এ্যাপ্লিকেশনের ডেভলপমেন্ট পর্যায়ে সাধারণত যেসকল অসুবিধা হয় এমন একাধিক বিষয় নিয়ে সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দেশের কয়েকজন সেরা মোবাইল এ্যাপ নির্মাতারাও এই বুট ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা তাদের সাথে পেশাগত বিষয় নিয়ে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারীদের গ্রামীনফোন, সিম্ফোনি ও নোকিয়ার পক্ষ থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক মো. ওয়াহিদুজ্জামান, বরগুণার এডিএম মো. হাবিবুর রহমান, পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক মো. খায়রুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচীর আওতায় এর আগে ঢাকা, সিলেট, খুলনা , চট্টগ্রাম ও রংপুরে পাঁচটি বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া একই প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ে ৬৩টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২৩৯৭ জন শিক্ষার্থীকে এ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

পুরো প্রকল্পে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমসিসি লি. ও ইএটিএলের সাথে কাজ করছে বেসিস, মাইক্রোসফট, গ্রামীণফোন, রবি, নোকিয়া, সিম্ফনি, এসওএল কোয়েস্ট, গুগল ডেভলাপার গ্রুপ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট, কিউবি ও টেলিটক।

Share Button